মানুষের প্রতিদিন চলে যায় বহুমুখী কর্মব্যস্ততায়। তবু কিছুটা সময় থাকে ভাবের স্বকীয় জগতে আত্মমগ্ন হওয়ার। আত্মচেতনার পরিসরে সমাজ-পরিপার্শ্ব ও জাগতিক খণ্ড উপলব্ধি উঁকি দেয় মনের নির্জনে। নিঃসঙ্গতাকালে নিজেকেই নিজের সঙ্গী করে মানুষ। ভেতরের আমিকে বাহ্যিক আমির মুখোমুখি দাঁড় করানো হয় প্রতিনিয়ত। সৃষ্টিশীল মানুষ সৃজনে সমুজ্জ্বল থাকতে চায়। প্রাত্যহিক আবেগ ও মননলোকের কিছুটা আবহ জারিত করতে চেয়েছি আমি দিবসভিত্তিক তাৎপর্যের শব্দবিন্যাসে। আমার চেতনার কেন্দ্রে বিস্ময়ানুভূতির প্রকাশ অথবা বৈশ্বিক চেতনায় আত্মনির্মাণ ও আত্মবিকাশের প্রবণতা প্রকাশ করতে চেয়েছি কবিতায়।
অবকাশকালে নিজেকে বিচিত্র বর্ণালিতে কল্পনা করা মানবস্বভাব। ভাবের বিস্ফোরণ কিংবা বস্তুময় চেতনার স্থানিক ও কালিক উপলব্ধিতে আমরা দিনযাপন করতে পারি। দিবসের তাৎপর্যময় চেতনায় নিজেদের আলোড়িত করতে পারি। আত্মজাগরণের প্রক্রিয়ায় কবিতা বিশেষ শিল্পমাধ্যম। স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও আবেগের বহুরৈখিক উৎসারণ কবিতায় শব্দময় ছবি হয়ে ফোটে কবির কলমে। সৃজনময় আবেগ ধারণ ও বিকাশ করেই কবি তাৎপর্যময় করেন দিন ও রাত্রির অনুভবকে।