একটি নৃশংস খুন।
এরকম বিকৃত মানসিকতার খুনী রবার্ট হান্টার আগে কখনো দেখেনি।
এই কেসটা সহ্যশক্তির চূড়ান্ত সীমায় নিয়ে যাবে ওকে।
তাহলে কি এবারে টক্করটা হবে সেয়ানে সেয়ানে?
“আপনি কি শয়তানের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন, ডিটেকটিভ?” ফোনের ওপাশ থেকে বলে ডিউটিরত অফিসার। “বিশ্বাস যদি না-ও করেন...এখানে এসে একবার দেখে যান। চোখ বুঁজে বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন।”
রবার্ট হান্টার যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছাল, তখনো আঁচ করতে পারেনি সে ঠিক কী দেখতে যাচ্ছে। সারা জীবন যেসব কেসে কাজ করেছে, তার কোনোটাই এর ধারেকাছেও আসে না। যখন ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এল, ভিক্টিমের লাশের ভেতরে খুনি রেখে গেছে একটা কবিতা, সবকিছু আরো ঘোট পাকিয়ে গেল।
কয়েকদিনের মাথায় পাওয়া গেল আরেকটা লাশ। খুনের কায়দা একেবারে আলাদা, কিন্তু হিংস্রতায় যেন সেই একই হাতের ছোঁয়া। হান্টারের ভয়কে সত্যি করে আরেকটা কবিতার সন্ধান মিলল মৃতদেহের ভেতরে।
অর্থাৎ, খুন দু’টো একই সুতোয় গাঁথা। শহরে আবির্ভাব হয়েছে নতুন এক সিরিয়াল কিলারের।
এমন এক খুনী, যে খুন করে নিখুঁত পরিকল্পনায়।
যার জন্য মৃত্যুর আগে ভয়ের কাঁপনটাই সবচেয়ে জরুরি।
যে মনে করে, মানুষকে কিছু শেখাতে হলে মৃত্যুর চেয়ে বড় পাঠশালা আর কিছু নেই।
কোন প্রকার ফরেনসিক আলামত বা সূত্র না থাকলেও, রবার্ট হান্টারকে খুঁজে বের করতে হবে এই নৃশংস ঠাণ্ডা মাথার খুনীর পরিচয়।