একঝাঁক পায়রা ধ্বনি, সুখের করতালি। আকাশ মুখর হয়ে ওঠা নীল, ভেতর মানুষকে জাগিয়ে বলে—সব সুন্দর। মানুষের চোখগুলো তখন পায়রার মতো সরল। তার ফুসফুসের বায়ুকুঠুরিতে অজস্র স্মৃতি। রোমন্থনে মুহূর্তগুলো একটির সাথে আরেকটি মিশে হচ্ছে নতুন রং, নতুন খেয়াল। মানুষ নিজের সাথে নিজে খেলছে। যেন কোনো বিষাদ নেই তার। কিন্তু যদি বিষাদ না থাকে তাহলে এত কবিতা লিখছে কেন পৃথিবী? কবিতায় দুঃখ, কবিতায় উপশম; কবিতায় বুঁদ অক্ষরগুলো পাখির ছানার মতো মুখ হাঁ করে শুনতে চাইছে মানুষের আকুতি, মানুষের বিষাদ। মানুষ অষ্টমার্গ জেনেও যেন মুক্ত না। তার দুঃখ- প্রিয় বিচ্ছেদ, মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় শোষণ থেকে শুরু করে একটা ফুল না আঁকা রুমালের জন্য। পৃথিবী যেন থইথই বিষাদ গল্প। কিন্তু কবিতা, কখনো কি নির্বাণ নিয়ে আসে না? হয়তো কবিতাই সেই অষ্টাঙ্গিক মার্গ। পৃথিবী পুষছে তাই জলপাই বিষাদ পায়রা।