শহরে এসেছে এক নৃশংস আততায়ী। কোনো সূত্র ছাড়াই নির্মমভাবে সে মানুষ শিকার করে, ছিন্নভিন্ন লাশগুলো দেখে আঁতকে উঠছে দেশবাসী।
কেসটি সমাধান করতে না পারার ব্যর্থতার দায়ে হোমিসাইডের ইন্সপেক্টর নীলিমাকে অন্য এক কেসে সরিয়ে দেয়া হলো। ঢাকার অলি-গলিতে রাতের আঁধারে বেড়েছে কিশোর গ্যাঙের উৎপাত। বেপরোয়া এই চক্র মানুষকে মেরে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করে না। এদের কৌশলে, ফাঁদ পেতে ধরতে হবে। শুরুতে কেসটা সাধারন মনে হলেও আসলে তা নয়। ওদিকে থেমে নেই সেই আততায়ী, লাশের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী করবে নীলিমা? সহকারী রায়হানকে নিয়ে সে পরিকল্পনা সাজালো, এক কিশোরও ভাগ্যক্রমে জড়িয়ে গেল এসবের সাথে। হামজা নামের সেই কিশোরকে অপহরণ করা হলো। নীলিমা আর রায়হান কি তাকে বাঁচাতে পারবে? শিকার আর শিকারির সংজ্ঞা কীভাবে বদলায়? সাইকো কিলারের গল্প অনেক পড়েছেন হয়তো, কিন্তু একজন সাইকোর কিলার হয়ে ওঠার গল্প এটি।
বাপ্পী খানের উপন্যাস জোনাক, পাঠকদের কাছে সমাজের চিরচেনা অন্ধকার দিকগুলোকে নতুনরূপে উন্মোচিত করে।