জ্যামিতি গণিত শাস্ত্রের একটি প্রাচীন শাখা। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলোতে জ্যামিতি চর্চার প্রমান পাওয়া যায়। বৈদিক যুগে বেদি তৈরিতে নির্দিষ্ট জ্যামিতিক আকার ও ক্ষেত্রফল মেনে চলা হতো। আনুমানিক চার হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরে ভূমি জরিপের কাজে জ্যামিতির ধ্যান-ধারনা ব্যবহার করা হতো। প্রাচীন মিশর,ব্যবিলন,ভারত,চীন,ইনকা ও সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্যগুলো অতিসূক্ষ্ম জ্যামিতিক আকারে তৈরি। বর্তমানকালে দৈনন্দিক জীবনে জ্যামিতির ব্যবহার নেই এমন উদাহরণ পাওয়া মুশকিল। বহু জটিল সমস্যা সমাধানে জ্যামিতিক বিষয়াবলী রেখা,কোণ,ত্রিভুজ,চতুর্ভুজ,বৃত্ত ইত্যাদি ব্যবহার হয়। তবে আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীদের জন্য জ্যামিতি একটি জটিল বিষয়। কারন পাঠ্যবইয়ের বাইরে বিশেষায়িতভাবে শুধুমাত্র জ্যামিতি অনুশীলনের জন্য আলাদা কোন বই নেই। যার কারনে বিষয়টি সর্বদাই অনেক শিক্ষার্থীদের কাছে অস্পষ্ট রয়ে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে মাধ্যমিক জ্যামিতির সকল সমস্যা সমাধানে দি রয়েল সায়েন্টিফিক পাবলিকেশন্স হতে প্রকাশিত হয়েছে জ্যামিতি গুরু।