কুরআনুল কারিমের নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে না বলুন
বলুন তো,ইবাদাত কাকে বলে? জবাব পেয়েছি নামায পড়া। কেউ বলছে রোযা করা। আবার কেউ বলছে হজ্জ করা ইত্যাদি। বড়জোর কেউ কেউ যাকাতের কথা বলছে। তখন আমার মনে হয়েছে- অধিকাংশ মানুষই ইবাদাতের পুরো ব্যাখ্যা জানে না। আংশিক জানে। যা কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার আদেশমাত্র। তবে নিষেধগুলো থেকে বিরত থাকাও যে ইবাদাত তা খুব কম লোকই জানে। অথচ আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা কুরআনুল কারিমের সুরা হাশরে বলেছেন- “রসূল যা কিছু তোমাদের দেন তা গ্রহণ করো এবং যে জিনিস থেকে তিনি তোমাদের বিরত রাখেন তা থেকে বিরত থাকো। আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।” [সুরা হাশর : ৭] এ নির্দেশের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ ও নিষেধের আনুগত্য করা। হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে,নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “আমি কোন বিষয়ে তোমাদের নির্দেশ দিলে তা যথাসাধ্য পালন করো। আর যে বিষয়ে বিরত থাকতে বলি তা থেকে দূরে থাকো।” [বুখারি,মুসলিম]
দ্য রমাদান প্ল্যানিং (পেপারব্যাক)
এ বইটিতে ইবাদত সংক্রান্ত বিষয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। আর তা হচ্ছে-
শবে বরাতে কীভাবে ইবাদত করা উচিত?
রমযানের প্রস্তুতি কীভাবে নেওয়া উচিত?
রমযানের রোজার গুরুত্ব ও ফযিলত?
রোজা ভঙ্গ হওয়ার কারণগুলো কি কি?
শরীয়তের দৃষ্টিতে তারাবীর মর্যাদা ও মহত্ব?
জীবনটাকে কীভাবে আমল দিয়ে সাজানো যায়?
শবে কদরের ফযিলত কি? ইতেকাফের ফযিলত?
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার ফযিলত?
কদর রাত্রিকে কেন কদর বলা হয়?
রাতে ফেরেশতাদের পৃথিবীতে অবতরণের কারণ কি?
শবে কদরে আসমানের দরজাসমূহ উন্মুক্ত থাকে কেন?
প্রতি শবে কদরে একটি রহমত অবতীর্ণ করেন কেন?
এ সকল বিষয়ের জ্ঞান যদি কারো মধ্যে বিদ্যমান থাকে, তাহলে ইনশাআল্লাহ আশা করা যায় তার জীবন আমলী যিন্দেগীতে পরিণত হয়ে যাবে।