খেলাফতবঞ্চিত বিশ্ববাসীর কাছে খেলাফত এক বিস্মৃত অধ্যায়। মুসলমানও ইসলামের রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে একেবারে অজ্ঞ। কেউ জানলেও তা অজানার মতোই। আবার কারো মতে, ইসলামে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা থাকলেও এই উন্নত ও আধুনিক যুগে তা অচল। অসংখ্য মুসলমান হীনম্মন্যতার শিকার। দাজ্জালী প্রোপাগান্ডায় অনেকে প্রভাবিত। দুয়েকটি সাহসী কণ্ঠে সত্য উচ্চারিত হলেও খোদাদ্রোহী শক্তি সেগুলো থামিয়ে দেয়। ওই মানুষগুলো সমাজ থেকে একেবারে হারিয়ে যায়। আয়নাঘরের নিঝুমপুরীতে তাদের চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়। একদিকে শয়তানী শক্তি, অপরদিকে খোদায়ী শক্তি। দুটি জীবনাদর্শের চূড়ান্ত সংঘাত আসন্ন। এই লড়াইয়ে বিজয় ইসলামেরই হবে। আবারও বিশ্বব্যাপী খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে তার আগে মুসলিমজাতিকে বিরাট ত্যাগ ও কোরবানী দিতে হবে। কঠিন পথ পেরিয়ে তাদের খেলাফত পর্যন্ত পৌঁছুতে হবে। শয়তান ও তাগুতের পক্ষ বর্জন করতে হবে। সত্যের পক্ষাবলম্বন করতে হবে। তার জন্য মৃত্যুকে প্রেমাষ্পদের মতো আলিঙ্গন করতে হবে। তবেই বদর-ওহুদের ফেরেশতাগণ আবার নেমে আসবে ইনশাআল্লাহ। আমরা পূর্ণ আশ্বস্ত হয়ে বলছি, চূড়ান্ত বিজয় ইসলামেরই হবে। নিঃসন্দেহে খেলাফত হবে আগামীর বিশ্বব্যবস্থা। এটি প্রকৃতির আহ্বানও। এই আহ্বান কি আমরা শুনতে পাচ্ছি? বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি সে আহ্বানেরই প্রতিধ্বনি।