বালকের ছিলো শালিকের শখ, পেয়েছিলো বটে কিন্তু হারাতে হলো, সে বেদনায় শালিকের স্মৃতি বুকে পুষে আজও খুঁড়িয়ে হাঁটে সে-জগৎ নিয়ত পেয়ে হারাবার। কোবতে পাড়ার মানুষগুলো কেমন ভয়ংকর! গোলাপ বাগানে এখন সাপ ঢুকেছে, মোহরানার তর্কে সব আয়োজন ভণ্ডুল, বানরের কাছ থেকেই এখন উচিত শিক্ষা পায় ভদ্রপাড়ার মানুষ, নানান রূপে মৃত্যুর আয়োজন চলে, মানুষের কবিতা সম্পর্কে বলদেরা প্রস্তাব রাখে, রাজা হয়ে নির্যাতন করো নয় প্রজা হয়ে ভোগো-এ দুয়ের মাঝে আর কিছু নেই, মেয়রের কাছে ভাস্কর্যের চেয়ে ভাগাড় প্রিয়, কাকে কাকে কথা, গাছের দুঃখ, পাতাদের কথা, বিড়াল ইঁদুরের ভদ্রলোকের সঙ্গে, আর বড় জুতা ছোট জুতার সঙ্গে কথা, সামান্য সাবানের জন্য মিহিরের জীবন যায়, মাঠা মাখনের সাজ ধরে রাখে ঘোষ মৃত্যুর পরও, পাপ্পার বোনকে ফুফু বলা হয়, দুঃখী মানুষ সুখ সইতে পারে না, বালকবেলার প্রেম, সুখ-দুঃখ পাওয়া না পাওয়া, বাবার কষ্ট, মায়ের কষ্ট, হাতি পালার যুক্তি, কাক গল্পকার হতে চায় না কেন? এবং সত্যকাম আর ঝলকন-এসব আরো নানান চরিত্র ইঙ্গিতে উপকরণে রূপকে আসলে কি বলতে চায় গল্পচ্ছলে! সত্য বলা যে বড় কঠিন।