কবিতা সমাজের চিত্র, আঁধার-আলোর আয়নামুখ। কবিতায় উঠে আসে সমন্ত পৃথিবীর ঘটনা-দৃশ্যের চিত্র। কবিতা যেহেতু পৃথিবীর যাবতীয় কিছু ধারণ করে, লালন করে, ভালো রোপণ করে, মন্দ প্রকাশ করে, প্রেমের মহত্বের গুণগান করে; তাই কবিতার গুরুত্ব ও ব্যাপকতা যুগ যুগ ধরে প্রকাশিত হচ্ছে। বিকশিত হচ্ছে কবিতার নন্দনতত্ত্ব ও সৌন্দর্য।
সাহিত্যের যতগুলো শাখা রয়েছে তার মধ্যে কবিতা প্রাচীন এবং উৎকৃষ্টতম শাখা। কবিতাকে শিল্প-সংস্কৃতির মাতা জ্ঞান করা হয়। কবিতা এমন এক শাখা তা বুঝতে হলে অনুভব করতে হবে; আর অনুভবের জন্য দরকার সাধনা। প্রয়োজন জ্ঞানের ডালপালা মেলে ধরা। অনুভবের দরজা খুলে শব্দের মালায় যে সুবাসিত আনন্দ বেদনা তার রস আহরন করা।
সেই রসের অবিরাম জোগানদাতা নাফিউল ইসলাম। তাঁর অসাধারণ পর্যবেক্ষণ কবিতায় সঞ্চারিত হয়েছে, পল্লবিত হয়েছে ছন্দে কথায়। সেই সব ছন্দ ও কথার সন্নিবেশ কাব্যগ্রন্থ ‘কর্কট’। বিরাজিত সমাজ বাস্তবতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে কর্কট ছড়িয়ে পড়েছে তার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে।