সদরঘাটে এক রাতে খুন হলো একজন সাংবাদিক। দৃশ্যটা অদ্ভুত রকম গোছানো—মোবাইল পড়ে আছে, পড়ে আছে শেলও। এমন ভুল সাধারণত কেউ করে না। পুলিশ অফিসার রাশেদের প্রথম সন্দেহ এখানেই—এ স্রেফ খুন নয়, ভেবেচিন্তে করা কাজ।
ঢাকার অভ্যন্তরে তখন ধীরে ধীরে ভেসে ওঠে একটা নাম—কাউন্সিল। কেউ সরাসরি বলে না। কিন্তু সবাই জানে—ওরা আছে। রাশেদ যত এগোয়, ততই বোঝে—এই শহরে সব প্রশ্নের উত্তর চাইতে নেই। আর ঠিক তখনই তার পাশে এসে দাঁড়ায় নাফিসা। মেয়েটা তথ্য জানে বেশি, আর ভয় পায় কম।
আড়ালে একজন মানুষ আছেন, যিনি দিনে দান করেন, রাতে হিসেব মেলান। কেউ পড়ে যায়। কেউ দাঁড়িয়ে থাকে। আর শহরটা নিজের মতো করেই চলতে থাকে। এই গল্প খুনি খোঁজার নয়। এই গল্প এটা বোঝার—কখন, কোথায়, আর কার স্বার্থে একটা খুন দরকার হয়ে পড়ে।