মেদিনীপুরের অগ্নিবালক। জন্মেই যমের অরূচি আনতে মায়ের কোল থেকে তিন মুঠো খুদের দামে কিনে নিলেন বোন। পরানো হলো সোনার তেঁতুল পাতা। তবুও মৃত্যুর আনাগোনা ঠেলে একদিন পৌছে গেলেন মৃত্যুদণ্ডের দ্বারে। ইতিহাসের পাতায় লেখা হলো ক্ষুদিরামের ফাঁসি। যা শুনে আজ ও আজন্মকাল মানুষ কষ্টের বৃষ্টিতে নিবিড় স্নাত হন। চোখ বুজলেই মনের দরজায় চিৎকার করে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের রণবীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু। প্রতিশোধের তপ্তযন্ত্রণায় যিনি ভুলেছিলেন আসন্ন মৃত্যুর হুঁশিয়ারি।
দেশমাতৃকার মুক্তিদূত ক্ষুদিরামকে নিয়ে লেখাটি প্রথম প্রকাশ পায় দৈনিক খবরপত্রের সাহিত্য পাতায়। সেসময় অর্থাৎ ২০০৬ সালের ০৯ নভেম্বর থেকে ২০০৭ সালের ১৮ জানুয়ারি নাগাদ পাঁচ পর্বে প্রকাশিত ধারাবাহিকটির শিরোনাম ছিল 'ক্ষুদিরাম: যুব মানসের অম্লান দর্পণ'। সেই কংকালের গায়ে পরবর্তী সময়ে একটু একটু করে যুক্ত হলো মাংস তার উপরে নরম-মসৃণ ত্বক। নব রূপ পেল ক্ষুদিরামের কথা শিরোনামে।