আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
রাসুল (সাঃ) এর সময় থেকেই অনেক মানুষ কুরআনকে আল্লাহর বাণী হিসেবে গ্রহণ করেন না। তাঁরা মনে করেন কুরআন রাসুল (সাঃ) এর রচিত গ্রন্থ। অথচ কুরআনের মধ্যেই প্রমাণ রয়েছে যে, এমন গ্রন্থ রচনা করা মানব বা জ্বিন কারো পক্ষেই ব্যক্তিগত কিংবা সামষ্টিকভাবে সম্ভব নয়। কুরআনে গাণিতিক যুক্তির উপস্থিতিই এর সর্বসাম্প্রতিক প্রমাণ। এই বইয়ের গ্রন্থকার ‘আহমেদ দিদাত’ কুরআনের বিভিন্ন আয়াত এবং শব্দ বিশ্লেষণ করে কুরআনের অভ্যন্তরে ১৯ তথা গণিতের এক বিস্ময়কর উপস্থিতি প্রকাশ করে প্রমাণ করেছেন যে কুরআন এক রহস্যময় সৃষ্টি। বইটি পড়ে পাঠক উপলব্দি করবেন যে, কুরআন কোন সাধারন গ্রন্থ নয় এটি গানিতিক রহস্যময় এক অলৌকিক গ্রন্থ।
বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান
বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান পৃথিবী বিখ্যাত একটি গ্রন্থ। গ্রন্থটি রচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রখ্যাত সার্জন, বৈজ্ঞানিক ও গবেষক ডাঃ মরিস বুকাইলি। ফরাসী ভাষায় রচিত তাঁর “লা বাইবেল, লা কোরআন য়েট লা সাইন্স” নামক বইখানি সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালের মে মাসে প্যারিসে প্রকাশিত হলে সঙ্গে সঙ্গে সুধীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ইংরেজী ও আরবি সহ পৃথিবীর বহু ভাষায় বইটি অনুদিত হয়। এই বইয়ে তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে পাওয়া জ্ঞানের সঙ্গে বাইবেলের বর্ণনার অসঙ্গতি এবং কুরআনের বর্ণনার সঙ্গতি সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। বিজ্ঞানের এ চরম উৎকর্ষতার যুগে প্রকৃত সত্যকে যারা আবিষ্কার করতে চান এ বইটি তাদের প্রভূত উপকারে আসছে বিধায় দুনিয়া জুড়ে বইটি ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হচ্ছে।বইটি পড়ে পাঠকের নতুন চিন্তার দুয়ার খুলবে, ইনশা’আল্লাহ