আজ সারাদিন বেশ ব্যস্ততায় কাটল। মনেই হচ্ছিল না যে, আমি আফ্রিকার লাইবেরিয়ায় যাবো। অফিসের কাজ এবং এরই মাঝে ব্যাংক থেকে আমাকে কিছু ডলার কিনে তা পাসপোর্টে এন্ট্রি করতে হলো। আগে যে কোন কাজে আমরা যেতাম সোনালী ব্যাংকে আর এখন যাই ট্রাস্ট ব্যাংকে। যাবার আগে বাসায় আসা গেল না। বাসায় আবার গোছানোর পর্ব তখনও বাকি।
বিকেলে ঝামেলা আরো বাড়ল। তিশান আসছে (আমার বড় মেয়ে, রংপুর মেডিক্যাল কলেজে ৪র্থ বর্ষে পড়ছে) রংপুর থেকে, সেই সাথে সুমীর (আমার স্ত্রী) একটি কমিটমেন্টও আছে। আমি আর সুমী গেলাম উত্তরায় আর গাড়ি পাঠালাম তিশানের কাছে টেকনিক্যাল মোড় থেকে ওকে নিয়ে আসার জন্য। আমার শাশুড়ি, নিশাত (আমার ছোট মেয়ে) ও অরোরা (নিশাতের বান্ধবী) মিলে তিশানকে আনতে গেল।