ইংল্যান্ডের নটিংহামশায়ারে আমার বাবার ছোট্ট খামার ছিল। খামারের আয় থেকে আমাদের পরিবারের ভরণ-পোষণ কোনো রকম চলে যেত। পাঁচ ছেলের মধ্যে আমি ছিলাম সেঝ। চৌদ্দ বছর বয়সের সময় আমাকে কেমব্রিজের ইমান্যুয়েল কলেজে ভর্তি করে দেয়া হয়। বছর তিনেক পর আমার লেখাপড়ার খরচ চালানো বাবার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে, কাজেই লন্ডনের অস্ত্র- চিকিৎসক ডাঃ জেমস বেক্সের কাছে শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ করতে শুরু করলাম। সেখানে আমি বছর চারেক ছিলাম। সে সময় বাবার কাছ থেকে মাঝে মাঝে হাতখরচ বাবদ কিছু টাকা পেতাম। টাকাটা জমিয়ে অবসর সময়ে নৌ-বিদ্যা আর অঙ্ক শিখতে শুরু করলাম। একদিন না একদিন আমি জাহাজে করে পৃথিবী ভ্রমণে বেরুতে পারব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল।