বর্তমানে ব্যবস্থাপনা একটি অত্যাবশ্যকীয় সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে স্বীকৃত। সভ্যতার শুরুতে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং তা নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্রমে ক্রমে উন্নতি লাভ করে বর্তমানে একটি স্বতন্ত্র্যতা লাভ করেছে। সমাজের সর্বস্তরে এর বিচরণ লক্ষ করা যায়। কী পরিবার, কী ক্লাব, কী উপাসনালয়, কী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, কী সরকার বা রাষ্ট্র অর্থাৎ এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে ব্যবস্থাপনা ব্যবহূর্ত হয় না। ব্যবস্থাপনার কাজ হচ্ছে পরিকল্পনা করা, সংগঠিত করা, কর্মী সংগ্রহ করা, নির্দেশনা দান, প্রণোদনা দান, সমন্বয়সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করা। মানবীয় প্রচেষ্টাকে লক্ষ্যাভিমুখী করে প্রাপ্তব্য উপায়-উপকরণের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের মধ্যেই ব্যবস্থাপনার মৌলিকত্ব নিহিত।