একটি নতুন পৃথিবী, একজন অধীশ্বর। দুইটি বই: জীবন এবং স্বতন্ত্র পুস্তক।
নিনাদযন্ত্রের সুরে বিষণ্ণতাকে খুঁজতে যায় না কেউ, আব্রুডিয়ামের অর্ধগোলাকার পর্দায় দৃশ্যমান আকাশের রঙ দেখে অনুভব করে না প্রশান্তি। প্রসূন প্রাঙ্গন কিংবা বিহঙ্গবৃত্তে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পেয়েও কারও মনে জাগে না কৌতূহল।
এখানে চাইলেই শোনা যায় মরুভূমির বুকে আছড়ে পড়া বৃষ্টির প্রথম ফোটার শব্দ। ঘরে বসে উপভোগ করা যায় যেকোন খাবারের সিন্থেটিক স্বাদ।
তবু কেন অস্তিত্বের সংকটে ভুগে রউফের খেতে ইচ্ছে করে প্রাচীন পৃথিবীর মাগুর মাছের ঝোল?