শেষ চিঠি
দ্বীনদার পরিবারের মেয়ের আধুনিক হয়ে বেড়ে ওঠা, না জেনে এক নারীপাচারকারীর প্রেমে পড়া, তরুণ লেখক ও আলিমের স্ত্রী হওয়া মেনে নিতে না পারা কিন্তু শেষে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিয়তির কাছেই আত্মসমর্পণ করার কাহিনি নিয়ে আয়োজন “শেষ চিঠি”
প্রাসাদপুত্র
আদি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। বিরাট বড়লোকের ছেলে। দ্বীনে আসার পর বাবার অবৈধ আয়-উপার্জন তাকে আর চুপ থাকতে দেয় না। প্রতিবাদ করে। তখনই ঘটে বিপত্তি। বাবার প্রাসাদোপম বাড়ি থেকে তাকে বিতাড়িত হতে হয়।
প্রাসাদ ছেড়ে এসে, অতি সাধারণ একটা মেসে শুরু হয় আদি’র সাদাসিধে জীবন। যে জীবনে প্রাচুর্য নেই; কিন্তু হৃদয়ভরা প্রশান্তি আছে। আছে স্রষ্টাকে নিয়ে ভাবার অফুরন্ত উপকরণ।
…অন্যের উপকারের ভাবনা আদিকে তাড়িয়ে বেরায়। এই ভাবনা তাকে নিয়ে যায় সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। একজন ইমাম সাহেবের উপকার করতে গিয়ে মহা সংকটে পড়ে আদি।
…’আদি’ আমাদের গল্পের মূল ভাবনা হলেও, ইমাম সাহেবই যেন ছড়িয়ে আছেন এই গল্পের ‘অন্তে’। ইমাম সাহেবকে খুঁজতে গিয়ে ঘটতে থাকে নানান বিচিত্র ঘটনা! একে একে সামনে আসতে থাকে চরম কিছু বাস্তবতা। কে এই ইমাম!
পুণ্যময়ী
জারা। নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। ছোট একবোন। মা নেই। বাবা সামান্য একজন চাকরিজীবি ছিলেন। রিটায়ার্ড করেছেন। সংসারে সচ্ছলতা নেই। হঠাৎ, বড় ধরনের একটা সুযোগ আসে জারার জীবনে। খ্যাতি, সম্মান এবং বিপুল অর্থ উপার্জনের এমন বিশাল সুযোগ খুব কম মানুষের জীবনেই আসে। বিস্ময়ের শুরু তখনই, যখন লোভনীয় সে সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করে জারা। কোনো এক ঘটনায় জারার জীবনে ঘটে যায় আমূল পরিবর্তন। কী ছিল সেই ঘটনা? হিদায়াতের পথ পেয়ে পুণ্যময়ী জারা এরপর বসে থাকে না। তাঁর ভাবনায় ব্যতিক্রম কিছু। সে চায়, সমাজের সবশ্রেণির মেয়েদের কাছেই দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছুক। এক্ষেত্রে জারার প্রথম লক্ষ—অভিনেত্রী কাবেরি। ব্যস্ত এবং দেশজুড়ে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলা কি এতই সহজ?… জারার সামনে একটাই সুযোগ। টেলিভিশনে অভিনেত্রীর একটা লাইভ অনুষ্ঠান। লাইভ অনুষ্ঠানটির পর পুলিশের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় জারা।…সে নাকি জঙ্গি। পুলিশ তাঁকে খুঁজতে থাকে।… কী ঘটে এরপর? জানতে হলে পড়ুন বইটি।
কাল থেকে ভালো হয়ে যাব
আজ নয় কাল। এখন নয় একটু পর। এই একটি ভাবনাই আমাকে ‘পরপারের পাথেয় সংগ্রহ প্রতিযোগিতা’ থেকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।এই ভাবনার জনক আর কেউ না; অভিশপ্ত শয়তান। সে সারাক্ষণই আমাদের পেছনে লেগে আছে। ভালো হতে চাইলেই বাধা দেবে। পাশে বসে কানের কাছে ফিঁসফিঁস করে অনুরোধ করতে থাকবে—’স্যার, এত তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবেন? লাইফটা তাহলে ইনজয় করবে কে?… গুনাহ নিয়ে এত টেনশন করার তো কিছু নেই! আল্লাহ অতি দয়াবান। নিশ্চয় তিনি মাফ করে দেবেন। যত পারেন চালিয়ে যান। তা ছাড়া হায়াত তো পড়েই আছে! ভালো যদি হতেই চান, কাল থেকে হবেন; আজই কেন?
প্রাসাদপুত্র ২
আগের পর্বে আমরা দেখেছি, অসহায় এক ইমাম সাহেবের পরিবারকে সহায়তা করতে গিয়ে বিপদে পড়েছিল আদি। পাঠকরা পরিচিত হয়েছিলেন ‘বই বালক’ ছদ্মবেশে জনি নামের এক দুর্ধর্ষ চরিত্রের সঙ্গে।
তারপর কী ঘটেছিল?… হয়তো ভাবছেন বইটির দ্বিতীয় অংশ এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু না। শুধুমাত্র এইটুকুই না; এক চমকানো ঘটনা আপনাকে নিয়ে যাবে আজ থেকে ছাব্বিশ বছর পেছনে!ছাব্বিশ বছর আগে একটা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
একটা রোড এক্সিডেন্ট! একজন দ্বীনদার যুবকের মৃত্যু! জানা যায় এক্সিডেন্টটি ছিল সু-পরিকল্পিত!
একটি লাল নোটবুক
একটি লাল নোটবুক’ একজন মাদ্রাসাপড়ুয়া সহজ-সরল ছেলে এবং তার লেখা নোটবুকটিকে ঘিরে। যেটিকে কেন্দ্র করে ঘটতে থাকে অনেক ঘটনা।