লায়লা ফারজানার কবিতা মূলত আত্মজৈবনিক। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত হতাশা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, জীবনের প্রেম, বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা, নিঃসঙ্গতা এবং একাকিত্ব ধ্রুপদি মিথের সাথে মাখামাখি হয়ে একটা আকার পায় তাঁর কবিতায়। তাঁর অনুভবগুলো ভাষা ও চিত্রকল্পে কখনো ভোরের রোদের মতো স্পষ্ট, উষ্ণ; কখনো মধ্যরাতের আলো-অন্ধকারে রহস্যময়, কুয়াশা কিংবা তুষারের আবরণে ঢাকা। পরাবাস্তবতা তাঁর কবিতার একটি বিশেষ দিক যার আড়ালে প্রেম যৌনতা মায়া উচ্ছ্বাস ও সর্বগ্রাসী বেদনার ছায়া ও ক্ষত।