বনানীর টু/এ রোডের সতেরো নম্বর প্লটে গড়ে উঠা সুবিন্যস্ত বিশাল অ্যাপার্টমেন্টের থার্ড ফ্লোরের এ ফ্ল্যাটটির অবস্থান পূর্ব দিকটায়। গৃহস্থালী কাজে কবিতার রোজকার সময় খুব ব্যস্ততায় কেটে যায়। দিনের আলো উঁকি দেওয়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে তার ব্যস্ততা শুরু। যেমন- ছেলেমেয়েকে ঘুম থেকে টেনে তোলা, দাঁত ব্রাশ, বাথরুম করানো, কাপড় পাল্টে দেওয়া, পিছন পিছন ছুটে নাস্তা খাওয়ানো, স্কুলের টিফিন রেডি করা, স্কুলে পাঠানো ইত্যাদি। তারপর সঙ্গীতের কাজ শুরু।
তিনি আবার কারো হাতের রান্না খেতে চান না। বুয়ার হাতের তো নয়-ই। তার জন্য নাস্তা রেডি করে দিতে হয়। তারপর লাগতে হয় বুয়ার পেছন পেছন। দেখিয়ে না দিলে, এগিয়ে না দিলে, কোন কাজই সে ঠিকভাবে শেষ করতে পারে না। কাজ ফাঁকি দিতে এটা সে ইচ্ছা করেই করে। ছুটা বুয়ার দিকে ভালোভাবে নজর দিতে হয়। কাজ আদায় করে নিতে হয়। নয়তো সে দায়সারাভাবে কাজ সেরে চলে যায়।