বৈশিষ্ট্য-১. অভিধানটি শব্দবিন্যাস মাদ্দা হিসেবে করা হয়েছে ।২. অভিধান সংকলকের অনুবাদভঙ্গিতে অক্ষুণ্ন রেখে অনুবাদের ক্ষেত্রে মাছদারী অর্থ করা হয়েছে ।৩. প্রতিটি শব্দের একাধিক বাংলা প্রতিশব্দ দেখানো হয়েছে ।৪. অভিধানে উল্লিখিত কুরআন হাদীসের প্রতিটি উদ্ধৃতি, আরবি প্রদান ,বাগধারা ইত্যাদির সরল অনুবাদ দেওয়া হয়েছে ।৫. মূলগ্রন্থ থেকে একটি শব্দ ও ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়নি ; বরং মুজামুল ওয়াসিত ,আল মওরিদ,আলকামুসুল জাদীদসহ বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে আধুনিক ওবহুলব্যবহৃত অনেক শব্দ সংযোজন করা হয়েছে ।৬. উর্দু ও আরবির জটিল ও কঠিন শব্দসমূহকে অপ্রচলিত ভেবে বর্জন করার মনোভাব পরিহার করে অক্লান্ত পরিশ্রম ও যত্নসহকারে সেগুলোও তুলেধরা হয়েছে ।৭. মূল অভিধানের বিদ্যমান হরকত- এর ক্রুটিসমূহ যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে।৮. অভিধানের শব্দগত বা অর্থগত অসঙ্গিত সংশোধনের ক্ষেত্রে মুজামুল ওয়াসিত -কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।৯. ছিলা এর বিভিন্নতার কারনে সৃষ্ট অর্ধের বিভিন্নতা একাধিক ছিলা – এর মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।১০. কুরআন – হাদীস ও পাঠ্যপুস্তকে ব্যবহৃত বহু শব্দবলি বিশেষ যত্নসহকারে সংযোজন করা হয়েছে।১১. অভিধানের শুরুতে লিখিত সরফের অতীব প্রয়োজনীয় নিয়মকানুনসমূহ স্বযত্নে অনুবাদ করা হয়েছে ।১২. বাংলা বানানের ক্ষেত্রে ‘বাংলা একাডেমী ব্যবহাকির বাংলা অভিধান’-কে পূর্ণরুপে অনুসরন করা হয়েছে এবং অভিধানের সর্বত্র একই বানানরীতি প্রয়োগের আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে । সুতরাং এ পুস্তকের বানানগুলো নির্ভরযোগ্য মনে করা যেতে পারে ।১৩. পাঠকবর্গের সুবিধার্থে মূল শব্দকে ভিন্ন ফন্টে উল্লেখ করা হয়েছে।১৪. মূল অভিধানের পরিশিষ্টে সংযোজিত প্রায় দু’হাজার আধুনিক শব্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।