দাপ্তরিক ভ্রমণে গিয়েও দেখার মত চোখ থাকলে যে আশেপাশের দৃশ্য দেখা যায়,আর তা দিয়ে যে চমৎকার ভ্রমণকাহিনী রচনা করা যায়,এই কাহিনী তার প্রমাণ।স্থানের বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি স্থানিক পরিবেশ-প্রতিবেশের চিত্র তুলে ধরেছেন।ক্যামেরার লেন্সে চোখ রাখার অভিজ্ঞতা আছে বলেই রিয়াসাতের চোখে পড়ে অনেরক সাধারণ দৃশ্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।মালয়েশিয়া আর থাইল্যান্ডের বিভিন্ন শহর ঘুরে লেখকের যে অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হয়েছে,তারেই সাহিত্য-রূপ এই গ্রন্থ।লেখকের কৃতিত্ব এই যে,বাগাড়ম্বর না করেই তিনি মূল কথাটি বলতে পেরেছেন।ভাষার সরলতাই পাঠককে টেনে নিয়ে ঘটনার গভীরে,স্থানের কেন্দ্রে,সময়ের মূলে।এই গ্রন্থ পাঠে পাঠক উৎসাহি হবে ভ্রমণে যেতে।আর যারা দেখে এসেছেন এইসব এলাকা,তারাও আনন্দ পাবেন,তাঁদের বাদ-পড়া দৃশ্যের নতুন ছবি দেখে। -তপন বাগচী