বন্যার প্রেম সুমনের সঙ্গে। মা-বাবা বন্যাকে অন্যত্র বিয়ে দিতে চাইলে বিয়ের রাতে মেয়ে পালায়। প্রেমিকের পরামর্শ মতো ওঠে সিদ্ধেশ্বরী রাজনদের বাড়িতে। সুমন এলেই রাজনসহ মগবাজার কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করবে তারা। কিন্তু সুমন আসে না। সুমনের মোবাইল ফোনও বন্ধ পায় বন্যা। গভীর রাতে প্রতীক্ষা শেষে বন্যা ফিরে যায় বাড়িতে। সুমন প্রতারণা করেছে ধরে নিয়ে মা-বাবার পছন্দ করা পাত্রকে বিয়ে করে বন্যা। তারপরই সমস্যা বাড়ে। সেই রাতে সুমন পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল জানতে পেরে বন্যার বুকটা ধক করে ওঠে। প্রেমিকের প্রতি বন্যা অনুভব করে হৃদয়ের টান। সুমনের মনের অবস্থাও তেমনই। সেও পেতে চায় প্রেমিকাকে।