আবুল হাসান
হিন্দুস্থানের পশ্চিম উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোসহ সরণদ্বীপের সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ আরবদের বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক চলে আসছিল। ইসলাম পূর্ব জাহেলী যুগেই কতিপয় বিশিষ্ট আরব বণিক লংকায় বসতি স্থাপন করে। তবে যখন আরব বিশ্বে একটি নতুন ধর্ম চর্চিত হতে থাকে, তখন সে ধর্ম এ বণিকদের পৈত্রিক ধর্মবিশ্বাস ত্যাগ করতে অনুরিত করেনি। কিন্ত ইরাণী ও রোমানদের বিরূদ্ধে আরব মুসলমানদের মর্যাদাপূর্ণ ঐতিহাসিক বিজয়গাথার সুসংবাদ শুনে তাদের মাঝে স্বদেশী জাতীয়তাবোধ নবরূপে জাগ্রত হয়ে ওঠে। আরবের তুলনায় তখন ইরানকে সভ্যদেশ হিসেবে মনে করা হতো। বিধায় হিন্দুস্তানের মার্কেটে তুলনামূলকভাবে ইরানী সামগ্রীর কদর ও আকর্ষণ ছিল অত্যধিক বেশি। এছাড়া হিন্দুস্তানের সরকার ইরানকে এক শক্তিধর প্রতিবেশি জ্ঞান করে তাদের যাবতীয় সুবিধা প্রদানসহ অত্যন্ত সমীহের দৃষ্টিতে দেখতো।