শীত ছিল বুড়ো মানুষের হাড্ডি খাওয়া। কোথাও কোথাও আস্ত কটা মানুষও খেয়েছে। খবর ছাপা হয়েছে শীত আরো খুশিতে নাচবে মানুষের মতো জীবকে মারতে পেরেছে বলে। যদিও মানুষ এখন আর তেমনকি! ইচ্ছে হলেই মানুষ মানুষকে ছয় টুকরো করতে পারে। যারা করায় তারা তো ভালোই থাকে। মঞ্চে যায়। ভাষণ দান করে। খুন হলে গলা ফুলিয়ে বলে যে করেই হোক হত্যাকারীকে খুঁজে বের করা হবে।
স্ত্রী আর মাকে জড়িয়ে ধরে একটু নাটকের ঢঙে বলে আপনার সন্তান বা স্বামী সে তো আমারই। ওর চলে যাওয়া বাংলার আকাশ থেকেতো নক্ষত্রেরই পতন। এমন রতন আর বাংলায় জন্ম নেবে কিনা সন্দেহ। আমরা এর প্রতিকার করবোই করবো। মঞ্চ উপচে পড়ে প্রশংসিত স্লোগানে স্লোগানে। মায়ের বুকের নদীটা রক্তাক্ত ঢেউয়ে ঢেউয়ে শুধু পাড় ভাঙে। লেখার বিষয়টা একটু বাঁকা পথের মোড়ে বাদাম ভাঙার শব্দে 'মিশে যায়। যাক যেদিকে যাওয়ার। এলোমেলো বাজুক জীবনের ঘণ্টা।