পর্দা গাইডলাইন
গ্রামের দোচালা টিনের ঘরে পর্দার সুরত কী?
কাঁচারি ঘর, বাড়ির বেড়া, পর্দা।
শহরের আধুনিক ফ্লাটেই বা কীভাবে পর্দা করবে?
দরজা-জানালার পর্দা। রান্নাঘর ও ডাইনিং রুমের মাঝের পর্দা।
মেহমান আসলে এলোমেলো পরিস্থিতিতে পর্দা।
গ্রামে বেড়াতে গেলে পর্দা।
বিয়েবাড়ির পর্দা।
জানালা, পাশের ফ্ল্যাট, বেলকনি ও বারান্দার পর্দা।
লিফটের পর্দা।
থাই গ্লাসের আলোর বিপরীতে দিন ও রাতের মারপ্যাঁচ।
পথে-ঘাটে, সফরে-হযরে, বাড়িতে-গাড়িতে মা-বোন-ভাইদের পর্দার সুরত কী হবে?
কখন কোন পর্যায়ের পর্দা করবে?
প্রয়োজনে পরপুরুষদের সাথে কথা বলার কী উপায়?
গ্রামের উঠান থেকে বাচ্চাদের ডাকার উপায় কী?
জয়েন্ট ফ্যামিলির পর্দা।
গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারের পর্দার সুরত।
আত্মীয়স্বজনের সাথে পর্দা।
হকার, ফেরিওয়ালা, ভিখারি, বিদ্যুৎ বিল-ওয়ালা, অচেনা পুরুষ, হিজড়া, প্রতিবেশীর সাথে পর্দা।
কোন অবস্থায় শরীয়ত শিথিলতার সুযোগ দিয়েছে?
যেসব মা-বোন পর্দা করতে চান, কিন্তু পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে পারছেন না, তাদের কী করণীয়?
এমন জানা-অজানা অনেক বিষয় নিয়েই এই বই : পর্দা গাইডলাইন
নারীর ইসলামি জীবন
নারী—মহান আল্লাহর এক সম্মানিত সৃষ্টি, যার মাঝে রয়েছে রহমত ও স্নেহের কোমলতা, বিশ্বাসের দীপ্তি, আর দায়িত্বের আলোকছায়া। ইসলাম তাঁকে দিয়েছে এমন মর্যাদা, যা কোনো সভ্যতা, কোনো যুগ কখনোই দিতে পারেনি—যেখানে তিনি মা হয়ে জান্নাতের দরজা, স্ত্রী হয়ে শান্তির আশ্রয়, আর কন্যা হয়ে রহমতের বার্তা হতে পারেন।
এই গ্রন্থে আপনি খুঁজে পাবেন আপনার সেই হারিয়ে যাওয়া পরিচয়—যা কুরআনের আয়নায় স্বচ্ছ, সুন্নাহর আলোয় উজ্জ্বল। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি সিদ্ধান্তে দ্বীন আপনাকে দেবে সত্য ও ভারসাম্যের পথনির্দেশ—সম্মান, দায়িত্ব ও আত্মমর্যাদার এক সুন্দর সমন্বয়।
এটি কেবল একটি বই নয়, এ এক হৃদয়ের আহ্বান—আপনি যেন চিনে নিতে পারেন নিজেকে, ভালোবাসতে পারেন আপনার রবের দেওয়া মর্যাদাকে, আর ফিরে যেতে পারেন সেই পথে, যে পথে লুকিয়ে আছে আপনার দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্যের চাবিকাঠি।
“নারীর ইসলামী জীবন গড়ার পথে আপনাকে স্বাগত।”
নারীর ফরজ ইলম
মানুষকে আল্লাহ অনর্থক সৃষ্টি করেননি। তিনি নারী পুরুষ সকলকে তার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি মানুষকে পালনীয় ও বর্জনীয় বিধান দিয়েছেন। যেগুলো পালন করা আবশ্যকআর সে বিধানগুলো পালন করার জন্য জরুরী হল জানা। ফলে ইসলাম এই জানা বা ইলমটাকেও ফরজ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। কারণ ইলম ছাড়া কেউ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর ইবাদাত ও দাসত্ব করতে পারবে না। এই বিধান নারীর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য।ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘মহিলারা পুরুষের মতোই শরীয়তের দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাই তাদের ওপর যেসব বিষয় ওয়াজিব ও ফরয, সেসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করাও তাদের জন্য ওয়াজিব; যাতে তারা তাদের ওপর অর্পিত বিধানসমূহ যথাযথ ও সুষ্ঠূভাবে পালন করতে পারে।’ আমাদের বইটি একজন নারীর জন্য ইলম অর্জনের ফরজ আদায়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হবে আশা করি।