অণুগল্প আমাকে এক ধরনের আনন্দ দান করে। আবার ভাবতে থাকি অণুগল্প এত ছোট্ট করে কীভাবে পূর্ণতার স্বাদ এনে দেয়! যেদিন প্রথম পড়ি অণুগল্প, সেদিন যেন মন-মস্তিষ্কে দোল খেয়ে যায় তা। এরপর পেলেই যেন দ্রুত পড়ে ফেলি! তারপর লেখালেখির কিছুটা অভ্যাস থাকায় চেষ্টা করে দেখি একটা অণুগল্প লেখার। পড়তে দেই―পরামর্শ, উপদেশনা পাই। তারপর লিখতে থাকি আর পত্র-পত্রিকায় পাঠাই। প্রকাশও হতে থাকে কিছু কিছু। এরপর বই করার চিন্তা মাথায় আসে। হয়ে যায় পাণ্ডুলিপি। যার নাম দিয়েছি নির্বাচিত অণুগল্গ ৫০ এ ৫০। কেননা ’২৫ এ আমি ৫০―এ পা রাখি। এই বই পড়ে যদি ভালো লাগে পাঠকের তবেই সার্থক বলে মনে হবে নিজেকে। নিভৃতচারী লেখক ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক মো. আব্দুস সামাদ মিঞা স্যার, লেখক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক সঞ্জয় সরকার দাদা, কথাসাহিত্যিক হাসান রোকন পাণ্ডুলিপি পড়ে বানান সংশোধন ও বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রচ্ছদের ছবি তুলে দেওয়ার জন্য পৃথা সরকারকে এবং কম্পোজে সহযোগিতার জন্য বিষ্ণু বর্মণকে ধন্যবাদ। সহযোগিতার জন্য স্ত্রী ও কন্যাদ্বয়ের প্রতি রইল হৃদয়জ ভালেবাসা। ত্রুটি মার্জনীয়।