নক্সী-কাঁথার মাঠ রচয়িতা শ্রীমান্ জসীমউদ্দীন নতুন লেখক, তাতে আবার গল্পটি একেবারে নেহাই যাকে বলে ছােট্ট এবং সাধারণ পল্লীজীবনের। শহরবাসীদের কাছে এই বইখানি সুন্দর কাঁথার মতাে করে বােনা লেখার কতটা আদর হবে জানি না। আমি এটিকে আদরের চোখে দেখেছি, কেননা এই লেখার মধ্য দিয়ে বাংলার পল্লী-জীবন আমার কাছে চমক্কার একটি মাধুৰ্য্যময় ছবির মতাে দেখা দিয়েছে। এই কারণে আমি এই নক্সী-কাঁথার কবিকে এই বইখানি সাধারণের দরবারে হাজির করে দিতে উৎসাহ দিচ্ছি। জানি না, কিভাবে সাধারণ পাঠক এটিকে গ্রহণ করবে; হয়তাে গেঁয়াে যােগীর মতাে এই লেখার সঙ্গে এর রচয়িতা এবং এই গল্পের ভূমিকা-লেখক আমিও কতকটা প্রত্যাখ্যান পেয়েই বিদায় হব। কিন্তু তাতেও ক্ষতি নেই বলেই আমি মনে করি, কেননা ওটা সব নতুন লেখক এবং তাদের বন্ধুদের অদৃষ্টে চিরদিনই ঘটে আসছে দেখছি।