ওয়ার্ক টুগেদার
দলবদ্ধভাবে কাজ করাই ইসলামের সৌন্দর্য। কিন্তু বিভিন্ন সেক্টরে সেই দলবদ্ধভাবে কাজ করতে গিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে অমূলক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হই। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে তির্যক আক্রমণ করি। বাতিল করে দিই তাদের আবেদন ও অবদানকে। আমরা এক দল আরেক দলকে মেনে নিতে পারি না, ছাড়ও দিতে চাই না; যদিও প্রতিটি দল-ই ইসলামের জন্য কাজ করে। অন্যদিকে খুব তুচ্ছ কারণে দলের বিরুদ্ধে সমালোচনা, দলত্যাগের মতো অস্বাভাবিক ঘটনাও ঘটে। একই দলের মধ্যে তৈরি হয় উপদল, উপগোষ্ঠী কিংবা স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব। ইসলামি রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন-সব জায়গাতেই এই কদর্যতার উপস্থিতি রয়েছে।
এর থেকে মুক্তির উপায় কী?
কুরআন-হাদিস-যুক্তি ও বাস্তবতার আলোকে সেই পথই বাতলে দেওয়া হয়েছে ‘ওয়ার্ক টুগেদার’ গ্রন্থে।
রিভাইভ ইয়োর হার্ট
আধুনিক যুগের বিশ্বাসী মানুষরা কীভাবে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের সাথে হৃদয়ের কথা উপস্থাপন করে? কীভাবে আমরা একটা সৌহাদ্যপূর্ণ, পারস্পরিক সহযোগিতা মনোভাবাপন্ন সমাজ গড়ে তুলতে পারি? আজকের দিনে উম্মাহ যেসব বড়ো বড়ো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, সেগুলোকে কীভাবে আমরা সামলিয়ে নিতে পারি?
এসব প্রশ্ন এবং তার উত্তর খুঁজে পাব- উস্তাদ নুমান আলী খানের এই সংকলিত গ্রন্থে ইনশাআল্লাহ্। ঝঞ্জা-বিক্ষুব্ধ এই সময়ে আমাদের করনীয় খুঁজে ফিরব এখানে।
বন্ধন
কী আমাদের পরিচয়? আমি কারও সন্তান, কারও আবার জীবনসঙ্গি, আবার কেউ আমাদেরই সন্তান। পারিবারিক, সামাজিত এমনকি আধ্যাত্নিক পরিমন্ডলে এই বন্ধনগুলোই আমাদের নানান পরিচয়ে পরিচিত করে। এই বন্ধনগুলোই আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের পরিচয়। এই বন্ধনগুলোই আমাদের প্রত্যেকের জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে। জীবনভর এই বন্ধুনগুলো নিয়েই তো আসলে এই আমরা। জীবনের রঙে রঙিন, পার্থিব অথচ অপাংক্তেয়, একই সাথে অপার্থিব কিন্তু মায়াবি- এই অদ্ভুত বন্ধনগুলোর নিবিড় খুঁটিনাটি নিয়ে উস্তাদ নোমান আলী খান-এর মূল্যবান কথাগুলোই রূপরেখা পেয়েছে ‘বন্ধন’ বইটিতে। নিজেদের আপন সম্পর্কের মিষ্টতা-তিক্ততার ভাষাগুলোই জড়ো হয়ে বইয়ের পাতায় শব্দ হয়ে ফুঁটেছে ‘বন্ধন’।