মহি মুহাম্মদ গল্পে জীবনের ছবি আঁকেন; শ্রমে- ঘামে চুবানো বিপন্ন-বিপর্যস্ত মানুষের জীবনকথা বার বার তাঁর গল্পে উঠে আসে। তিনি গল্প লেখেন পাপ ও অনুশোচনার গল্প, লেখেন চা-বাগানের গল্প। 'অহল্যাকথা'য় মহি মুহাম্মদ গতানুগতিক গল্পধারার বাইরে অন্যরকম জীবনকথা শুনিয়েছেন। তাঁর অধিকাংশ গল্পের পটভূমি চা- বাগান, চরিত্র-কুলি-কামিন। নিম্নবর্গের মানুষজনের কাম-রিরংসা, ভালবাসা- অপ্রেম, আশা-হতাশার সুলুক-সন্ধান করেছেন গল্পকার তাঁর এই গল্পগ্রন্থে। আমরা 'অহল্যার গল্প,' 'কুন্তির একা হওয়া' 'পিশাচ অরণ্যে কাঁদে যৈবতী কন্যা,' যেভাবে স্বপ্ন পোড়ে' প্রভৃতি গল্পে ক্লেদ-বিপন্নতায় ঘেরা মানব-মানবীর হাহাকার- উল্লাস শুনতে পাই।