শ্রেষ্ঠা গেছে গ্রামে। শিপ্রাহত্যা তদন্তে শিপ্রা রায়ের গ্রামে। এর আগেও কয়েকবার গেছে। অনেকদিন পর আবার সে গেল। শান্ত অফিসে। সে এখন বাইরে কম যাচ্ছে। শান্ত এখন অনেকটাই নির্ভরশীল শ্রেষ্ঠার উপর। বিশেষ করে শিপ্রাহত্যা তদন্ত কার্যক্রমে। প্রয়োজন হলে সুযোগমতো সমন্বয় করছে। শান্ত শ্রেষ্টার কাজে অনেক আশাবাদী। তাদের কার্যক্রম সম্ভবত সফলতার মুখ দেখছে। শ্রেষ্ঠার সাথে সমন্বয় করতে গিয়ে এমন ধারণাই তার হয়েছে। শ্রেষ্ঠার কর্তব্যনিষ্ঠা এবং নৈপুণ্যে সে অভিভূত। এতদিন সে যা পারেনি মাত্র কয়েকদিনে শ্রেষ্ঠা তার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। শান্ত এখন কার্যত ফাঁকে রয়েছে। যা কাজ মূলত শ্রেষ্ঠা করে। শান্ত কেবল কাজের মনিটরিং করে। অনেক ক্ষেত্রে দ্বিমত হয়। শান্ত জানে কাজে ঝুঁকি থাকে। ঝুঁকি না নিলে এগোনোও যায় না। কিন্তু শ্রেষ্ঠা একটু বেশি ঝুঁকি নিয়ে ফেলে। এখানেই তার দ্বিমত, এখানে তার ভয়। তারপরও না করে না। শ্রেষ্ঠা আজ গ্রামে যাওয়ার সময়েও শান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করে। বলে, ‘কয়েকবার তো গেলে, আবারও যাবে? গ্রামটা তেমন ভালো না।’