সম্পাদকীয়
কালের যাত্রার পদধ্বনি শুনতে কি পাও? সত্যি আমরা কালের চাকায় প্রতিদিন পিষ্ট হয়ে চলেছি, ভিতরে বাহিরে দগ্ধ হয়ে চলেছি নানা কারণে, নানা সামাজিক অবক্ষয়ে যা কবি-সাহিত্যিকরা শব্দের চরণে চরণে প্রকাশ করে থাকে।
মানুষের জীবনের মোহ, তাপ, চাওয়া-পাওয়ায় ছেয়ে গেছে পৃথিবীর বুক। আজ না হোক কাল সবার জীবনের মৃত্যুর ঘণ্টা বাজবেই, তাই এই নশ্বর জীবনে সমাজ, দেশ ও জাতির জন্য কিছু মহৎ কাজ করে যেতে পারলেই জীবনকে ধন্য মনে করি। আর এ প্রয়াসে আমার কাব্যগ্রন্থ ‘অন্তরের নীল কাব্য’।
অনেক খড়কুটো পোড়াতে হয়েছে এ প্রয়াসে। ‘অন্তরের নীল কাব্য’ গ্রন্থটির দু-মলাটের ভেতরে প্রকাশ হয়েছে অনেক না-বলা কথা। জানি না কতটুকু সার্থকতা লাভ করবে আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।
পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের ভালো লাগলেই পাব উৎসাহ যা আগামীর পাথেয় হয়ে থাকবে ‘অন্তরের নীল কাব্য’ বইটি প্রকাশে যারা আমাকে সাহস দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। বিশেষত আমার জীবনসাথি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মুসাকে সার্বিক উৎসাহ জোগানের জন্য ধন্যবাদ, মোবারকবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। জগতে বইয়ের তুল্য মহামূল্য আর কিছুই নেই, বই মনের ও ঘরের সর্বোচ্চ সাজ।
পরিশেষে সময়ের স্বল্পতার কারণে যদি কোনো মুদ্রণজনিত ভুলত্রুটি থেকে থাকে তবে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।