সমাজে অথবা রাষ্ট্রে প্রতিনিয়ত অন্যায় অবিচার জুলুম, নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্যতম অপরাধ অবলীলায় করে ন্যূনতম অনুশোচনাবোধ জাগে না মানুষের। যখন জবাবদিহিতা করার কেউ থাকে না সামাজিকভাবে।
ঠিক তখনই কবি তার নিজস্ব বিবেক দ্বারা ঠকঠক আওয়াজ করে অনুশোচনার কপাট খুলে দেখে, এদেশ, জাতি, রাষ্ট্র বোধোদয়ের বিবেক তাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। সেই অনুশোচনার জায়গা থেকে কাব্যের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় গীতিকবিতা ‘অনুতাপের পদাবলী’। সমাজ, রাষ্ট্র, সমসাময়িক ও প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া অনেককিছুর বিবরণ পাওয়া যাবে এই কাব্যগ্রন্থে।