সুইজারল্যাণ্ডের বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়। পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের জন্য নির্ধারিত ভবনের প্রশস্ত বারান্দা দিয়ে হেঁটে চলেছেন বাইশ বছর বয়সী এক যুবক। এই বিভাগেরই খণ্ডকালীন অধ্যাপক তিনি। মূল চাকরিটা করেন পেটেন্ট অফিসে। তবে সেটা কেরানীর পদে। পেটেন্ট অফিসে অবশ্য তাকে বেশ কয়েকজন ইঞ্জিনিয়রের সাথে কাজ করতে হয়। আবিষ্কারকরা যা আবিষ্কার করছেন তা নিবন্ধন করার জন্য জমা দেন পেটেন্ট অফিসে। আবিষ্কারকদের জটিল প্লানগুলো সহজেই কেরানী এই যুবক বুঝতে পারেন। এই জন্য ইঞ্জিনিয়ররা যুবকটির উপর বেশ সন্তুষ্ট।
বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে খণ্ডকালীন এই পড়ানোর কাজ করতে তাই আপত্তি করেনি তারা মোটেও। বরং উৎসাহ দিয়েছে আন্তরিকতার সাথে।
ক্লাসে এসে ঢুকলেন পেটেন্ট অফিসের কেরানী ভদ্রলোক। দেখলেন, আজ ছাত্রসংখ্যা দু জন হতে তিন জন হয়েছে। বিস্মিত হয়ে আরো দেখলেন, তৃতীয় ব্যক্তি হলেন জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের জাঁদরেল চেয়ারম্যান ডক্টর ক্লিনার। কয়েকমাস আগে এই ভদ্রলোক কেরানী সাহেবকে উপদেশ দিয়েছিলেন বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপকের কাজটি নিতে।.