সুরতালির মা চমকে উঠল টর্চের আলোয়। এই টর্চ মারা তার পরিচিত। বহুদিন এটা নিয়ে পবনার সাথে কথা হয়েছে। এভাবে টর্চ মারা ঠিক নয়। তখন পবনার বয়স ছিল ত্রিশ-বত্রিশ। এখন পঞ্চাশোর্ধ।
এই লোকটি আজ তার কাছে নয়, তার মেয়ের কাছে এসেছে। অদ্ভুত দুনিয়া! সুরতালির মা কুঁকড়ে ওঠে। কিন্তু কিছু বলার নেই। কেননা আজ তার গায়ে কোনো শক্তি নেই। শয্যাশায়ী। কতক্ষণ দেহে প্রাণ আছে, জানা নেই। চোখ দুটোকে শক্ত করে ঢেকে ফেলে সুরতালির মা।