প্রতিটি মানুষের জীবনেই কখনো না কখনো একজন পীরে কামেলের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। মানুষের জীবন কখনো না কখনো, ওই মোড়ে এসে স্থবির হয়ে পড়ে, যখন উপলব্ধি হয়, আমাদের ঠোঁট ও হৃদয় থেকে নির্গত দোয়া প্রভাবহীন হয়ে গিয়েছে। আমাদের পতিত সেজদা ও সমোত্থিত হাত, আল্লাহর রহমত ও নেয়ামতকে আমাদের করতে পারছে না। মনে হয় যেন কোনো সম্পর্ক ছিল, আর তা ভেঙে গিয়েছে। আর তখনই মানুষের আকাঙ্ক্ষা জাগে, তাঁর হয়ে যেন অন্য কেউ হাত তোলে। কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করে। অন্য কারও ঠোঁট যেন তার দোয়াগুলো আল্লাহর কাছে পৌঁছে দেয়। ভিন্ন কেউ যেন তার হয়ে রবের দরবারে রোনাজারি করে। এমন কোনো ব্যক্তি, যার দোয়াগুলো কবুল হয়। যার ঠোঁট থেকে নির্গত আবেদন, তাঁর মুখ হতে বিনির্গত শব্দের মতো ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। তখনই মানুষ পীরে কামেলের অনুসন্ধান করে। দিগ্বিদিক খুঁজে ফেরে। দুনিয়ার এমন এক ব্যক্তির সন্ধানে থাকে, যিনি কামালিয়াতের কোনো না কোনো স্তরে উপনীত আছেন।