অবশেষে কবিতাকে মুক্ত করে দিলাম। আসুক দেখি-সে যেভাবে মনে আসে সেভাবেই লিখবো। যখন কোন ছন্দ জানতাম না-কোন ব্যকরণ কোন ফরমেট কিচ্ছু জানতাম না তখনো সে মনে আসতো-জেঁকে বসতো ইচ্ছের সবটুকু জুড়ে-যতক্ষণ না তাকে লিখে মুক্ত করে দিতাম। তারপর কারা যে নানা বুদ্ধি দিতে থাকলো-এভাবে না-ওভাবে; ওদের মতো তাদের মতো-ওই ছন্দে-সেই ফরমেটে এসব করে কবিতার স্বাভাবিক প্রবাহকে বাঁধ দেয়া নদীজলের মতো নিস্তরঙ্গ করে দিলাম।
কত ভাবনা যে-কত আবেশ যে মনে মনে ঘুরে ঘুরে হারিয়ে যেতে থাকলো! কত কাব্যিক আবহকে যে শুধুমাত্র আধুনিকতার নামে-লেটেস্ট ফরমেটের দায়বদ্ধতায় আটকাতে গিয়ে মিছ করে ফেলেছি তার কোন জবাব নেই। এই করে মনের স্বাভাবিক স্রোতধারাকে বন্দী করে ফেলেছি। এসব আর ভাল লাগছে না। আমি আর কোন কাব্যিক ভাবনাকে ফিরিয়ে দিতে চাই না।