পাবলিশার’স নোট
কবিতা অনেক রকম হইলেও সবাই আলাদা রকমের কবিতা লেখেন — এই ঘটনা খুব কমই ঘটে। কয়েকটা ট্রেন্ডের ঘটনাই হয়া উঠে, বেশিরভাগ সময়। যেইটা একটা জনরা বা তরিকার ব্যাপারই না, বরং যেই জনরারই হোক সেইখানে একজন কবি’র কবিতা-পারসোনালিটির জায়গাটারে লোকেট করা যায় না। তো, মনামি’র কবিতাতে এইরকম সন্দেহের স্পেইসটা কম। উনার কবিতাতে একজন কবি আছেন, যিনি তাঁর কবিতাগুলা লেখতেছেন; তাঁর নরমাল ডেইলি লাইফের, অকোয়ার্ড মোমেন্টের, স্বপ্ন-চিন্তা-বাস্তবতার। একটা প্রি-ফিক্সড কবি-কারেক্টারে ঢোকার চাইতে একটা কবি-পরিচয়রে আবিষ্কার করার, স্কেচটারে স্পষ্ট করার ঘটনাটাই বরং মেইন। কবিতাতে এই ট্রাভেলিংয়ের ইচ্ছাটারে, জার্নিটারে রিডারদের দরবারে হাজির করতে চাইতেছি আমরা। পড়েন! দেখেন আরো অন্য কোন কিছুও খেয়াল করতে পারেন কিনা, আপনারা!