আসুন, শরীক হই কালের মহাযাত্রায়। উঠে পড়ি সময়ের উল্টোরথে। হাজির হই হাজার বছর আগের সুপ্রসিদ্ধ আর ঐশ্বর্যময় চোলা রাজ্যে। যে সাম্রাজ্যের পত্তন করেছিলেন মহান চোলা রাজন্যবর্গ।
ঠিক এই মুহূর্তে আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক সরোবরের সামনে—বীরনারায়ণ হ্রদ। যা আজ পরিচিত বীরানাম হিসেবে। আহ, কী
শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য! অপরূপ সৌন্দর্যের আধার এই বীরনারায়ণ হ্রদের সামনে দাঁড়ালে নিজের অজান্তেই সেই সব দূরদর্শী পূর্বপুরুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতায় মাথা নুয়ে আসে, শ্রদ্ধায় আপ্লুত হয় হৃদয়, যারা অনাগত প্রজন্মের কথা ভেবে তৈরি করে গেছেন এরকম বিশাল এক কাঠামো। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যে উপকার আজও ভোগ করে চলেছে।
আজ পবিত্র ‘আদি’ মাসের আঠারোতম দিন। প্রতিবছর এই দিনে নদী কিংবা হ্রদের তীরে জমায়েত হয় লোকজন। সপরিবারে চাঁদনীরাতের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি আয়োজন করে বনভোজনের।
আজ এই বীর নারায়ণ হ্রদের তীরে হাজির হয়েছে এক তরুণ অশ্বারোহী। দুর্ধর্ষ এই তরুণ যোদ্ধার কেতাবি নাম বল্লভ আরিয়ান বন্দিয়া দেবন। তার ক্লান্ত ঘোড়াটা ধীর লয়ে অগ্রসর হচ্ছে। অশ্বারোহীর মধ্যেও তাড়াহুড়োর কোনো লক্ষণ নেই। চারপাশের মনোরম সৌন্দর্য দেখতে দেখতে এগোচ্ছে সে...
প্রিয় পাঠক, আসুন আমরাও যোগ দেই বন্দিয়া দেবনের সাথে। হাজির হই দশম শতাব্দীর তামিলনাড়ুতে। বন্দিয়া দেবনের সঙ্গে আমরাও সামিল হই চোলা সাম্রাজ্যের রোমাঞ্চকর কাহিনির যাত্রায়।