তাৎপর্যপূর্ণ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের পথ ধরে পরবর্তীতে বাংলাদেশে অন্যান্য আন্দোলন সমূহের পরম্পরা তৈরি হয়েছে। অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সংকটপূর্ণ মুহূর্তে বাঙালি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছে। সেই সব আন্দোলন নানা পটভূমিতে আলোচিত ও সমালোচিতও হয়েছে। ক্ষমতাসীন পক্ষ ও গণমানুষের মাঝে এসবের ভিন্ন ভিন্ন বিশ্লেষণ লক্ষ্য করা যায়। হিসাব মেলাতে পারে না কেউ। মুখোমুখি অবস্থানে দ্বন্দ্বের বিস্তার ঘটছে কেবল। একইভাবে দেখা গেছে, অমীমাংসিত ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতি অনাস্থা—অবিশ^াসের ঘেরাটোপে বিভ্রান্ত; যার ব্যাপক প্রভাব দেখা যায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। নীতিনির্ধারক মহলের দায়—দায়িত্বের বিপরীতে ক্ষমতানির্ভর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নানা সীদ্ধান্তে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটিকে সার্বভৌমত্ব নিয়ে আতঙ্কিত, এমনকি, নিরাপত্তা—হুমকির মতো জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখিও হতে হয়। যেভাবে বিশে^র অন্যান্য দেশ পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে লক্ষ্যই স্থির করা নেই আমাদের, বরং একের পর এক অনৈক্যের ধ্বংসাত্মক পরিণতি সামনে। রাজনীতির মাঠে বিভক্তির দেয়াল, যার লক্ষ্যবস্তু কেবল ক্ষমতা।