নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ধৈৰ্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন! শ্রীকৃষ্ণ বানীতেও জানতে পাই, যিনি ধৈয্যের বাহনে আরোহণ করেন তিনি তাঁর গন্তব্যে পৌঁছাবেনই। ফকির লালন সাঁইয়ের বানীতেও সবুরের দেশে দম কষে বসার কথা বলা হয়েছে। প্রবাদেও বলা হয়, সবুরে মেওয়া ফলে! এই সবুরে দম কষে বসার অত্যুজ্জ্বল প্রমাণ পাই বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ আব্দুস ছামাদ সাবেরী'র চিন্তা ও কর্মে। প্রথম দিকে চুয়াডাঙ্গার ফকির তোরাব আলী সাঁইয়ের শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি আব্দুর রাজ্জাক হায়দারীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করলে গুরু কর্তৃক তিনি 'সাবেরী' বিশেষণ প্রাপ্ত হন। যার অর্থ ধৈর্য্যেশীল। মুখ্যত ধৈর্য্যেই সাধনার মূল অনুষঙ্গ। শাহ্ আব্দুস ছামাদ সাবেরী ১৯৪৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ৩ তারিখ ফরিদপুরে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ফরিদপুর রাজেন্দ্র বিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেন। তিনি ২২ বছর বয়সে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন