“স্বইচ্ছেতে মরে যাবার শখ নেই আসমানের কিন্তু বেঁচে থাকা ভীষণ ভারি আর কঠিন হবে শ্বাস নেয়া – আসমান কক্ষনো ভাবেনি।
চলন্ত গাড়িগুলোর আসা-যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে চলতে চলতে দাঁড়িয়ে পড়ে অসহ্যকর কষ্ট নিয়ে অভিমানী পুরুষটি।
হাতের কাছের ইলেক্ট্রিসিটির পিলার দু’হাতে আঁকড়ে ধরে ক্ষীণ কন্ঠে “তার” নাম ধরে আর্তনাদ করে ডুকরে ওঠে…”প্রিয়! আমার প্রিয়!
আমার কিন্নরী কন্ঠী তুমি শুনছো না আমি কাঁদছি!”___আসমান চৌধুরী..