প্রশান্ত থাকুন
সুখ-দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন। মানুষের অবস্থা পরিবর্তনশীল। সকালে এক রকম, তো বিকেলেই অন্য রকম।
বিপদে পড়লে বেশিরভাগ মানুষই অধৈর্য হয়ে যায়। এমনকি এর কারণে তারা আল্লাহ তাআলাকে দোষারোপ ও দায়ী করে নিজেদের ঈমান নামক মহামূল্যবান সম্পদ হারিয়ে ফেলে। আর যারা মুমিন এবং সংযমশীল, তারা বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণ করে।
একটু বিপদে পড়লেই আমরা দিশেহারা হয়ে যাই। ডিপ্রেশনে চলে যাই। অনুভূতিহীন হয়ে পড়ি। সব ধরনের পথ হারিয়ে ফেলি। বুঝতেই পারি না যে, এখন আমাদের করণীয় কী।
নো টেনশন, বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি আমাদের সেই অপূর্ণতা দূর করবে ইনশাআল্লাহ।
খোলো বোধের দুয়ার
আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে ভূপৃষ্ঠে প্রভাব বিস্তার করার মতো বিবেক-বুদ্ধি, বিবেচনা, চিন্তাশক্তি ও জ্ঞান দান করেছেন। মানুষ শ্রেষ্ঠ, কারণ তাকে বিবেক দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সে ন্যায়-অন্যায়ের বাছবিচার করবে এবং অন্যায়-অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন থেকে নিজেকে বিরত রাখবে। এই বিবেকের কারণে মানুষ পশুর থেকে পৃথক সত্তা। মানুষ যখন নিজের পশুপ্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়ে সৎভাবে দৈনন্দিন জীবনযাপন করে, তখনই সে “আশরাফুল মাখলুকাত” হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই তো পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “আমি তো আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, স্থলে ও সমুদ্রে তাদের চলাচলের বাহন দিয়েছি, তাদের উত্তম রিজিক দান করেছি এবং আমি যাদের সৃষ্টি করেছি তাদের অনেকের ওপর তাদের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি।” (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৭০)