ফ্রন্টলাইন ছোট রেস্তোরাঁ। চেয়ার টেবিল একটু ঘিঞ্জি করে রাখা। বিপরীতমুখী চেয়ারে বসে আয়েসেই কথা বলা যাবে অন্যের সাথে। মাধুরিমা যে চেয়ারটাতে বসেছিল তার পেছনের চেয়ারে বসল তাজ। পিঠাপিঠি। মাধুরিমাই আগে বলল, ‘ডেকেছ কেন!’
তাজ বলল, ‘যেভাবে বলছি সেভাবে কাজ করবে। আমার বিপদ।’
‘তোমার বিপদে আমাকে টানছ কেন?’
‘তুমিও জড়িত হয়ে পড়েছ রিমা।’
ওয়েটার আসলে খাবারের অর্ডার দিল তাজ। মাধুরিমা আগে থেকেই নেকাব তুলে স্যুপ খাচ্ছে। ওয়েটার চলে গেলে তাজ আবার বলল, ‘শপিংমলে ঘুরেছিলে না আমার সাথে! তখন নজরে পড়ে গেছ।’
মাধুরিমা গাল পাড়ল, ‘হারামি। আমারে বিপদে ফেলছ কী জন্যে!
তাজ ঐ কথায় কান না দিয়ে বলল, ‘পরশু ঐ শপিংমলের তিন নাম্বার সিনেমা হলের দুটো টিকেট কাটবে। তিনটের শো। একটা টিকেট কাউন্টারে রেখে যাবে, পেছনে আমার নাম লিখে। কাউন্টারে বলবে আমি আসলে যেন টিকেটটা দেয়। তুমি আগে থেকেই একেবারে উপরের সারির বামের শেষ দুটো আসনে থাকবে। বুঝেছ!’
‘যদি না যাই!’
‘সিরিয়ালের কন্টাক্ট আর মোটা একটা টাকা হাত ফসকে যাবে।’
ওয়েটার খাবার নিয়ে এসেছে। খাওয়া শুরু করল তাজ। কোনো কথা না বলে খাবারের বিল মিটিয়ে মাধুরিমা উঠে চলে গেল। তাজ চিন্তায় পড়ে গেল। ও আসবে তো!