যুদ্ধের সূচনালগ্নে আত্মরক্ষার্থে পাকিস্তানি বহরের চলার পথে নিরস্ত্র, নিরীহ যে মানুষটি ব্যারিকেড তৈরির চেষ্টা করেছিল, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর বিদ্রোহী বাঙালি সেনা এবং ইপিআর-পুলিশের বিদ্রোহী দলগুলোর সাথে সম্মিলনের পর যৎসামান্য সামরিক প্রশিক্ষণে সেই মানুষই দুর্ধর্ষ যোদ্ধায় রূপান্তরিত হয়েছে। ততদিনে তার আত্মরক্ষার প্রচেষ্টা, চূড়ান্ত বিজয় অথবা আমরণ লড়াইয়ে পরিবর্তিত হয়েছে। প্রতিরোধ যুদ্ধ থেকে বিজয়াভিযানে লেখক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মেজর এস এম সাইদুল ইসলাম (অব.) আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের সেই দিকটিই তুলে ধরেছেন।