মুসলমান ইতিহাস যাত্রায় কলেমা পাঠ করে প্রবেশ করে। নবী মুহাম্মদ দ.-এর পায়ে পায়ে মক্কায় পৌঁছে, হিজরত করে যায় প্রাচীন ইয়াসরিবে। জিরোয় এবং বিপুল বিচিত্র হিজরত পথে জগত ও অনেতিহাসের অধ্যাত্ম নুড়ি সঞ্চয় করে। অতঃপর প্যালেস্টাইন। প্যালেস্টাইন আল্লাহর এক অপরিমেয় কৃপা। এর পথ সর্বোত্তম ত্যাগ, উচ্চ সাহসের সাথে জড়িত। জগতের সত্য আর মিথ্যার বিভেদ রেখা এখানে স্পষ্ট প্রতীয়মান। এখানে এসে হৃদয় উপলব্ধি করে মানুষের সত্যযাত্রা আকসার বিজয়ের সাথে অঙ্গীকার আবদ্ধ। পৃথিবীর আর জনপদে শিশুর জন্ম হয়, এখানের মা’রা বীর জন্ম দেন। একটি ছোট জনপদ আর তার ক্ষুদ্র বীর জনগোষ্ঠী দুনিয়ার সমূহ পরাশক্তি আর কোটি নেফাক সত্তার হিংস্রতার বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ আর বিজয় রচনা করে আকসার মহিমাকে আল্লাহ ও রসুলের প্রতিশ্রুতির বন্দরে নিয়ে যায় প্রতিদিন প্রতি ফোঁটা পবিত্র রক্তে, সরল হৃদয় শ্রদ্ধায় বিস্ময়ে অকূল অধ্যাত্ম আনন্দে হারিয়ে যায়! কবিদের মন এই ইতিহাসের পরম গৌরব তার তুচ্ছ ভাষায় ধরে রাখে নিজের কল্যাণে।
বাংলা কবিতা যৌনমনোপর বৈষ্ণব বিঘোর পার হয়ে ইহপরকালীনের সত্য ভাষায় পাল উড়িয়েছে বহুকাল। সেই স্রোত শ্রুতির স্বচ্ছ পানিতে প্রবাহিত ‘প্রতিটি জলপাই গাছ স্মৃতি ফিরে পাবে’।