নারিন্দা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে নাক বরাবর যে রাস্তাটা দয়াগঞ্জের দিকে চলে গেছে সেটা ধরে হেঁটে হেঁটে অনেকটা পথ এসে হলুদ মসজিদ পার হয়ে শরতগুপ্ত রোডের ঠিক মাঝখানটায় এসে দাঁড়ালে একটা রাস্তা ডান দিকে গোত্তা খেয়ে চলে গেছে বেগমগঞ্জের দিকে। আশপাশে দু'চারটা দোকান। বাকরখানির দোকানও আছে বেশ কয়েকটা। একটা দর্জি দোকানও রয়েছে। একটা বড় বেকারির দোকান আছে মধুমিতা নামে। কেক-বিস্কিটের সঙ্গে মিষ্টিও বিক্রি হয় মধুমিতায়। মধুমিতা বেকারির সাইনবোর্ডটা বেশ বড়। সাইনবোর্ডের দু'দিক থেকে মিষ্টির ডালি নিয়ে দু'জন রূপসী পরী উড়ে উড়ে আসছে। পরীর গায়ে গোলাপি শাড়ি। মধুমিতা বেকারির পাশ দিয়ে যে গলিটা বসুবাজার লেনের ভেতর ঢুকেছে, সেই গলি ধরে ছয়-সাত মিনিট হাঁটলে একটা বিশাল বাড়ির দরজা পড়বে। মল্লিক বাড়ি বলে পুরো এলাকায় এর নামডাক রয়েছে। বাড়িজুড়ে গাছগাছালি। দেড় বিঘার ওপরে তৈরি মল্লিক বাড়িতে যে কত মানুষ থাকে! মল্লিক বাড়ির সামনে পানির