ভোরের আযানের ধ্বনি ভেসে আসতেই ঘুম ভেঙ্গে গেল আফিয়ার- পূবের আকাশে তখনও আলোর রেখা ফোটেনি। বাহিরে আবছা অন্ধকার বিদ্যুতের আলোয় চোখ রাখল ঘড়ির দিকে। ঘড়ির কাটা পাঁচটা ছাড়িয়ে গেছে। জলদি করে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল আফিয়া। পাশে তখনও ঘুমিয়ে তার ছোট বোন সাহারা। আফিয়া অযু করে এসে নামাজের কক্ষে ঢুকেই দেখল তার মা রহিমা বেগম মুনাজাতের জন্য বিশ্ব প্রভুর দরবারে হাত উঠিয়েছেন। মা অনেকক্ষণ ধরে দোয়া করেন বাবার জন্য, আমাদের জন্য, কিসে আমাদের মঙ্গল হবে এই তার একমাত্র ফরিয়াদ। কালবিলম্ব না করে জায়নামাজ বিছিয়ে ও নামাজে দাঁড়িয়ে গেল। জায়নামাজে বসেই অনেকক্ষণ ধরে দোয়া দরুদ পড়ে থাকে মা মেয়ে দুজনেই।