এ রাস্তায় এটাই প্রথম আসা নয়। আগেও কয়েকবার এসেছে প্রিসিলা। তবে এবার আসাটা বেশ অনেকদিন পরে। সবকিছু আগের মতোই আছে। আবার অনেক কিছুই নেই। পাহাড়, নদী, খাদ, হ্রদ সবই তো আছে। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে মোড় নেয়ার সময় হঠাৎ করেই দু-একটা ট্রাক কিংবা বাসের মুখোমুখি হওয়া তো আগেও ছিল। তবে সশস্ত্রবাহিনীর বহরের গাড়ি এ পথে কমই দেখা গেছে।
পাহাড়ের শরীরে কাশফুলের চামর দোলানো, সাদা বালির ওপর আঁকাবাঁকা শরীরে শুয়ে থাকা রুপোর হারের মতো চিকচিকে নদী, ফিরোজা আকাশের পটভূমিতে নীলাভ পাহাড়ের ল্যান্ডস্কেপ সবই আছে। কিছুটা মান হয়েছে পর্যটনের আর বিভিন্ন শিল্পভবনের বাহারি কৃত্রিমতায়। তবু কী যেন নেই। পথের ধারের বিরাট অশ্বত্থ গাছটা চিনতে একটুও দেরি হলো না প্রিসিলার। এতক্ষণে উৎকণ্ঠিত শঙ্কা শঙ্কা ঝরে ঝরে গেল আড়ষ্ট হয়ে থাকা ভঙ্গি থেকে- এই তো সেই জায়গা। এখানে গাড়ি থামিয়ে কতবার চা কিনে খেয়েছি।