নেব নেব করেও সিদ্ধান্তটা নিতে পারছিল না বিদ্যুৎ। মার কাছে শোনা বাবা আদর করে নাম রেখেছিলেন বিদ্যুৎ। রফিক রায়হান বিদ্যুৎ। বাবা নাকি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে বিদ্যুতের মতই গতিশীল হবে। জীবনের কোনো ক্ষেত্রেই সে স্থিতিজড়তায় ভূগবে না। ছাব্বিশ বছর সাতমাস সতের দিনের মাথায় এসে বিদ্যুতের মনে হল সে তার বাবার ইচ্ছার ছিঁটে-ফোঁটাও পূরণ করতে পারেনি। গত দুই বছর সে একটা বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ যে ঘরটাতে বসা আছে সেটা একটা বিশেষ ঘর। এই ঘরটা নিয়ে প্রত্যেকটা ছেলে মেয়ের মনেই কল্পনার ডাল পালা গজায়। বিদ্যুতেরও তেমনটা হয়েছে। ওর সামনে যে বসে আছে হয়তো সেও অনেক ভাবনায় হাবুডুবু খেয়েছে,এখনো খাচ্ছে।