মানব আকাশে উড়ছে নিশীযাত্রীদের ঝান্ডা। তার নিচে, এক যুবক দাঁড়িয়ে আছে মরূর তপ্ত বালিতে। বাতাসে উড়ছে তার সাদা কাফতান, সে যেনো এক শ্বেত মূর্তি, শরীর অসম্ভব ঠান্ডা, তাতে শত সহস্র আঘাত। নীল চোখে তার সুদূর কান্দাহার, হাতে বাঁকানো খঞ্জর, ঠোঁটে রক্তের তীব্র নেশা। আর স্মৃতিতে – শুধুই বিভীষিকা। সে হাঁটছে। সামনে, আরেকটু সামনে। তার অসীম যাত্রায় যেনো বিরতি নেই। পিছনে ফেলে যাচ্ছে মিথ্যেয় মোড়া এক অতীত, যেন প্রিয়তমার আলিঙ্গনের হাতছানি। কিছু দূরেই অপেক্ষা করছে এক সিংহাসন- তাকে ঘিরে ধরেছে হাজার স্বপ্ন, ত্যাগ, আর নির্মমতার এক ছায়াবীথি কিন্তু সিংহাসন তো শুধু রক্তেরই এক সরোবর। আর সে? সে তো রাজিই তাতে ডুব দিতে। কারণ তার যুদ্ধ শুধু প্রতিশোধের নয়। তার যুদ্ধ নিজের সঙ্গেই। নিজের অস্তিত্বের বিরুদ্ধেই।
সামনে আগাচ্ছে যুবক, তার কানে এসে ঠেকলো হালকা জলের কলরব তার চোখ জুড়ালো "এক রক্তিম সরোবর"।